নেইমার বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন - Lakshmipur News | লক্ষীপুর নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

Breaking


Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Tuesday, December 15, 2020

নেইমার বড় বাঁচা বেঁচে গেছেন


যেভাবে স্ট্রেচারে করে মাঠ ছেড়েছিলেন, তাতে ভয় ধরে গিয়েছিল অনেকের মনে। নেইমারের এভাবে মাঠ ছাড়ার দৃশ্য যে নতুন নয়। আর এভাবে মাঠ ছাড়ার পর নেইমারের ফিরে আসার অপেক্ষাটাও যে অনেক দীর্ঘ হয়, সেটাও সবার জানা। গত পরশু রাতে লিঁওর বিপক্ষে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া নেইমার অবশ্য সুখবরই দিয়েছেন।


পিএসজিতে যোগ দেওয়ার পর প্রথম দুই বছরই মৌসুমের অর্ধেক নষ্ট করে দিয়েছে পায়ের চোট। পরশু থিয়াগো মেন্ডেজের ওই ট্যাকলের পর আরও একবার নেইমারকে ছাড়া মৌসুম কাটানোর চিন্তাভাবনা হতো শুরু হয়ে গিয়েছিল পিএসজিতে। তবে প্রাথমিক পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর এখন পর্যন্ত আশার কথা শোনা যাচ্ছে। পায়ের হাড়ে চিড় পাওয়া যায়নি কোনো। বাজে এক ট্যাকলের শিকার হয়েও বেঁচে যাওয়াকে সৃষ্টিকর্তার কৃপা মনে হচ্ছে নেইমারের। 


 লিঁও-পিএসজি ম্যাচ বরাবরই উত্তাপ ছড়ায়। সেদিন ঘরের মাঠে ১-০ গোলে পিছিয়ে ছিল পিএসজি। শিরোপার লড়াইয়ে মহাগুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে অন্তত এক পয়েন্ট পাওয়ার আশায় শেষ মুহূর্তে চেষ্টা চালাচ্ছিলেন নেইমার। কিন্তু ৯৬ মিনিটে তাঁকে আটকাতে বাজে এক ট্যাকল করেন মেন্ডেজ। প্রাথমিকভাবে রেফারি খুব একটা গা করেননি, কিন্তু ভিএআর দেখে সিদ্ধান্ত বদলে লাল কার্ড দেখান তাঁকে।

কাঁদতে কাঁদতে মাঠ ছাড়া নেইমারের অবস্থা প্রাথমিকভাবে যতটা খারাপ ভাবা হয়েছিল, ততটা নয়। ইনস্টাগ্রামে এই ব্রাজিলিয়ান তারকা লিখেছেন, ‘আরও খারাপ হতে পারত, কিন্তু আরও একবার ঈশ্বর আমাকে বাজে কিছু থেকে বাঁচিয়েছেন। ব্যথা, হতাশা, ভয়, যন্ত্রণা, অস্ত্রোপচার, ক্রাচ ও অন্যান্য ভয়াবহ মুহূর্তের কথা মনে করেই কেঁদেছি আমি। আশা করি, দ্রুত সেরে উঠব এবং যত তাড়াতাড়ি পারি ফিরে আসব।’


 গতকালের পরীক্ষায় পায়ের হাড়ে কোনো চিড় দেখা যায়নি। আজ লিগামেন্ট ও অন্যান্য পরীক্ষা করা হবে। সেসব পরীক্ষায় খারাপ কিছু না পেলেই মাঠে দ্রুত ফিরবেন নেইমার। তবে নেইমারের বাবা ভীষণ চটেছেন রেফারির ওপর। ম্যাচ অফিশিয়ালরা তাঁর ছেলেকে মাঠে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বলেই ধারণা তাঁর, ‘ধুর...আর কত দিন? এ নিয়ে এত কথা বলেছি, আমরা বাড়তি সহিংসতাকে হালকা করে দেখছি বারবার। কেন শুরুতেই এগুলো থামানো হয় না? কেন প্রথম ফাউলেই শাস্তি দেওয়া হয় না। কেন সাত, আট বা নয় নম্বর ফাউল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।’ 


নেইমারের মতো সৃষ্টিশীল খেলোয়াড়দের আটকাতে প্রতিপক্ষ আগ্রাসী হয়ে ওঠে। নেইমার সিনিয়রের ধারণা, রেফারি সচেতন থাকলেই এমন আর ঘটবে না, ‘পুরো ম্যাচে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছি না। নেইমারকে বরাবরের মতোই ফাউল করা হয়েছে এবং খুবই বাজে ফাউল। এভাবে এসব সহিংস খেলোয়াড় ও আচরণকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে। এমন চলতে থাকলে ফুটবল অনেক কিছু হারাবে। আর কত দিন ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করা হবে?’ 

Post Top Ad

Responsive Ads Here