প্রস্তুত হাসপাতাল টিকা দিতে - Lakshmipur News | লক্ষীপুর নিউজ | ২৪ ঘন্টাই সংবাদ

সর্বশেষ খবর

Post Top Ad

Responsive Ads Here

Post Top Ad

Sunday, February 7, 2021

প্রস্তুত হাসপাতাল টিকা দিতে


নির্ধারিত সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলো করোনার টিকাদানের জন্য প্রস্তুত।সারা দেশের সরকারি-বেসরকারি ১ হাজার ৫টি হাসপাতালে আজ রোববার করোনার টিকা দেওয়া হবে।সকাল সাড়ে আটটার দিক রাজধানীর মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, করোনার টিকাদানের জন্য তারা সব প্রস্তুতি শেষ করেছে।সেন্টারটির প্রবেশপথেই অভ্যর্থনাকেন্দ্র। আজ এই সেন্টারে টিকা নেওয়ার জন্য যাঁরা নিবন্ধন করেছেন, তাঁরা প্রথমেই অভ্যর্থনাকেন্দ্র যাবেন। অভ্যর্থনাকেন্দ্রে তাঁদের নিবন্ধনের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।

অভ্যর্থনাকেন্দ্রে তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের পর টিকা নিতে আসা ব্যক্তিকে টিকাদান বুথে নেওয়া হবে। এখানে টিকাদানের জন্য নারী ও পুরুষের আলাদা বুথ আছে।টিকা দেওয়ার পর টিকা গ্রহণকারীকে আরেকটি কক্ষে নেওয়া হবে। একে বলা হচ্ছে টিকাদান-পরবর্তী কক্ষ বা পোস্ট ভ্যাকসিনেশন রুম। এখানে নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত টিকা গ্রহণকারী ব্যক্তিকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। এ ক্ষেত্রেও নারী ও পুরুষের জন্য পৃথক কক্ষ রয়েছে।এই কেন্দ্রে মোট আটজন নার্স পালা করে টিকা দেবেন। টিকাদান কার্যক্রমে সহায়তার দেবেন রেড ক্রিসেন্টের স্বেচ্ছাসেবকেরা।মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিসেস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এবং ১০০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালক মনিরুজ্জামান সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, টিকাদানের জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

মনিরুজ্জামান সিদ্দিকী আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, সফলভাবে, নির্বিঘ্নে টিকাদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।’

শুরুর দিন ৩ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে টিকা দেওয়ার প্রস্তুতি আছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের। তবে নিবন্ধন হয়েছে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম। গতকাল শনিবার পর্যন্ত টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন ৩ লাখ ৪৮ হাজার মানুষ।সরকারের কাছে ৭০ লাখ টিকা আছে। এর ২০ লাখ টিকা ভারত সরকার বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে দিয়েছে। বাকি ৫০ লাখ টিকা সরকার ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কিনেছে। এই টিকা ৩৫ লাখ মানুষকে দেওয়া হবে।

দেশব্যাপী সুষ্ঠুভাবে করোনার টিকা বিতরণ ও প্রয়োগের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি জাতীয় পরিকল্পনা করেছে। টিকাদানকর্মীদের জন্য প্রশিক্ষণ নির্দেশিকা তৈরি করেছে। কেন্দ্রীয়ভাবে ও জেলায় জেলায় স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।গতকাল রাজধানীর একাধিক হাসপাতালসহ সারা দেশের হাসপাতালগুলোয় প্রস্তুতি নিতে দেখা গেছে। যদিও জাতীয়ভাবে প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কিছু ঘাটতি গতকাল রাত পর্যন্ত দূর হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা রাজধানীর টিকাদানকেন্দ্রগুলোর প্রস্তুতি দেখে এসে বিকেলে অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। প্রস্তুতির বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, প্রস্তুতি ‘এ’ মানের।

Post Top Ad

Responsive Ads Here